সনাতনী কণ্ঠরোধে প্রশাসনের ভূমিকা, প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকার

Uncategorized

নিজস্ব সংবাদদাতা,আরএনবি: রাজ্যজুড়ে সনাতনী হিন্দুদের একাধিক ইস্যুতে প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।অভিযোগ,শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সত্ত্বেও পুলিশি দমন-পীড়নের মুখে পড়ছেন আন্দোলনকারীরা।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে,হিন্দু সমাজ সংগঠিত হচ্ছে ,সেই কারণেই কি সম্প্রতি বিভিন্ন জেলায় সনাতনী সংগঠনগুলির উদ্যোগে ধর্মীয় অধিকার,নিরাপত্তা ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে। মিটিং মিছিল কোথাও বা সভা,অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কর্মসূচি ছিল যথেষ্ট শান্তিপূর্ণ।কিন্তু তা সত্ত্বেও অভিযোগ,প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুমতি না দেওয়া,বাধা সৃষ্টি,এমনকি লাঠিচার্জ ও গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটেছে।

বিরোধীদের অভিযোগ,রাজ্যে শাসকদলের অনুগত প্রশাসন প্রতিবাদ দমনে অতিসক্রিয় হয়ে উঠছে।যেখানে অন্যান্য রাজনৈতিক বা সামাজিক কর্মসূচিতে পুলিশ ঠিকঠাক ভূমিকা পালন করে থাকে,সেখানে সনাতনী প্রতিবাদের ক্ষেত্রেই কেন এত কঠোরতা,সেই প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।গণতান্ত্রিক দেশে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সাংবিধানিক অধিকার।সেই অধিকার প্রয়োগে যদি নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায় বারবার বাধার মুখে পড়ে,তবে তা প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েই অবশ্যই সন্দেহ প্রকাশ করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু ভোটব্যাঙ্ককে “স্বাভাবিক” ধরে নেওয়ার প্রবণতা ছিল শাসক শিবিরের মধ্যে।কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সনাতনী সমাজের মধ্যে সচেতনতা ও ঐক্যের প্রবণতা বাড়ছে।এই সংগঠিত শক্তিই হয়তো শাসকদলের অস্বস্তির কারণ।আবার একাংশের মতে,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতিতে এতটাই অভ্যস্ত যে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু সমাজের ক্ষোভকে গুরুত্ব দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।আর সেই ক্ষোভ যখন রাস্তায় নেমে আসে,তখন প্রশাসনিক শক্তি প্রয়োগ করেই তাকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *