চন্দননগরের সভা থেকে হিন্দু ঐক্যের বার্তা মিঠুন চক্রবর্তীর

Uncategorized

নিজস্ব সংবাদদাতা,আরএনবি: চন্দননগরের সভা থেকে তৃণমূল সরকারকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী।হিন্দু ঐক্যের ডাক দিয়ে তিনি বলেন,সিপিএম,কংগ্রেস কিংবা তৃণমূল,যেখানেই হিন্দুত্বে বিশ্বাসী মানুষ থাকুন না কেন, সবাইকে একজোট হয়ে ভোটে এই সরকারকে তাড়াতে হবে।তাঁর দাবি,“একসঙ্গে ভোট হলেই এই সরকারের বিদায় নিশ্চিত।”
মিঠুন চক্রবর্তীর বক্তব্যে স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা,ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলা। তিনি বলেন,সিপিএমের মধ্যেও যদি কেউ হিন্দু হয়ে হিন্দুত্বে বিশ্বাস করেন,তাঁরাও আসুন। কংগ্রেস থেকেও আসুন।এমনকি তৃণমূলের মধ্যেও যদি হিন্দুদের মধ্যে বিভেদ থাকে,তাঁরাও বিজেপির ডাকে সাড়া দিন।এই ঐক্যই তৃণমূল সরকারের পতনের পথ প্রশস্ত করবে বলে দাবি তাঁর।
সভা মঞ্চ থেকে মিঠুনের এই হুঙ্কার ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চর্চা।বিজেপির দাবি, রাজ্যে হিন্দুদের ওপর ধারাবাহিকভাবে অবিচার হচ্ছে, আর সেই কারণেই সাধারণ মানুষ এখন ঐক্যের পথে হাঁটতে চাইছেন।
অন্যদিকে, মিঠুন চক্রবর্তীর এই বক্তব্যের কড়া পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু ভট্টাচার্য।তিনি বলেন,বিজেপি নেতারা বারবার ধর্মের নামে সমাজকে ভাগ করার চেষ্টা করছেন। এমবাংলার রাজনীতি কখনও এই বিভাজনের পথে হাঁটেনি, ভবিষ্যতেও হাঁটবে না।
দেবাংশুর বক্তব্য অনুযায়ী, বিজেপি উন্নয়ন,কর্মসংস্থান বা জনজীবনের বাস্তব সমস্যার কথা বলতে ব্যর্থ হয়েই ধর্মীয় ভেদাভেদ আশ্রয় নিচ্ছে।তিনি আরও দাবি করেন,বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতিকে আগেও প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আগামী দিনেও করবে।
একদিকে মিঠুন চক্রবর্তীর হিন্দু ঐক্যের ডাক,অন্যদিকে দেবাংশু ভট্টাচার্যের বিভাজনের রাজনীতির অভিযোগ ,সব মিলিয়ে চন্দননগরের সভা ঘিরে রাজ্য রাজনীতির পারদ আরও চড়ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *