নিজস্ব সংবাদদাতা: চন্দ্রকোনা রোড বাস স্ট্যান্ড দখলমুক্ত করার যে ‘কড়া বার্তা’ শাসক দল দিয়েছে, তা শেষ পর্যন্ত সদিচ্ছার প্রতিফলন হবে নাকি নিছক রাজনৈতিক চমক হয়ে থাকবে—সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, খোদ শাসকদলের এক নেতার ছত্রছায়ায় চলছে ফুটপাত দখল। এমতাবস্থায়, “দখলমুক্ত মানেই সম্পূর্ণ দখলমুক্ত”—এই আপ্তবাক্যটি কি সত্যিই বাস্তবে রূপ পাবে?প্রশাসনের সামনে এখন কঠিন পরীক্ষা। মেরুদণ্ড সোজা রেখে, কোনো বিশেষ নেতার “হাত” বা রাজনৈতিক প্রভাবের তোয়াক্কা না করে কি নিরপেক্ষভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো সম্ভব হবে? যদি বড় নেতাদের আড়াল করে শুধু ছোট হকারদের সরানো হয়, তবে তা হবে চরম দ্বিচারিতা। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, আইনের প্রয়োগ যেন সবার জন্য সমান হয়।ভবিষ্যৎ বলবে, শাসক দল কি পারবে দলের ভেতরের বাধা কাটিয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে বাস স্ট্যান্ডটি পরিষ্কার করতে, নাকি এই হুঁশিয়ারি হিমশৈলের চূড়া হয়েই ঝুলে থাকবে? প্রকৃত পরিবর্তন তখনই আসবে, যখন দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনস্বার্থ প্রাধান্য পাবে।

